Sunday, July 9, 2017

দিনে একটি কমলা স্মৃতিবৈকল্যের প্রতিষেধক



পশ্চিমা চিকিত্সাবিজ্ঞানীরা ইদানীং স্মৃতিবৈকল্য রোগটিকে আধুনিক মহামারী বলে উল্লেখ করছেন। কার্যকরভাবে রোগটি প্রতিরোধ করার উপায় নিয়ে এখন পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছে অসংখ্য গবেষণা। এ রকমই এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রতিদিন নিয়ম করে একটি কমলা খেলে স্মৃতিবৈকল্যের ঝুঁকি কমে যায় অনেকখানিই। খবর ডেইলি মেইল।
ইউনিভার্সিটি অব জাপানের একদল বিশেষজ্ঞ পরিচালিত দীর্ঘমেয়াদি ওই গবেষণায় উঠে আসে নিয়মিত কমলা, আঙ্গুর ও লেবুর মতো সাইট্রাস জাতীয় ফল ভোজনে মস্তিষ্কের প্রায় অনিরাময়যোগ্য রোগ স্মৃতিবৈকল্যের আশঙ্কা কমে যায় অন্তত ২৩ শতাংশ। গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনে।
মস্তিষ্কের ওপর সাইট্রাস জাতীয় ফলের ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি এরই মধ্যে প্রমাণিত। আগের এক গবেষণায় উঠে এসেছিল, মস্তিষ্কের যেসব আঘাতের প্রভাব স্মৃতিভ্রংশ বা অ্যালঝেইমারের দিকে এগোয়, সেগুলো থেকে অনেকাংশেই সুরক্ষা দিতে সক্ষম এ ধরনের ফল। সাইট্রাস জাতীয় ফলের উপাদান সাইট্রিক অ্যাসিডে নোবিলেটিন নামে এক ধরনের রাসায়নিক রয়েছে, যা মস্তিষ্কের ক্ষয় শ্লথ করে আনার পাশাপাশি স্মৃতিবৈকল্য দূর করতে সক্ষম।
ইউনিভার্সিটি অব জাপানের গবেষকরা বেশ কয়েক বছর ধরে ১৩ হাজার মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ নারী-পুরুষকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গবেষণাটি পরিচালিত করেন। এতে উঠে আসে, যারা প্রতিদিন অন্তত একটি করে সাইট্রাস জাতীয় ফল খান, তাদের ক্ষেত্রে স্মৃতিবৈকল্যে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকখানিই কম; বিশেষ করে যারা প্রতি সপ্তাহে গড়ে দুটির কম সাইট্রাস গোত্রভুক্ত ফল ভোগ করেন, তাদের চেয়ে অন্তত ২৩ শতাংশ।

Thursday, July 6, 2017

কিডনির পাথর অপসারণে পাথরকুচি পাতা

Health care smartsector


পাতা থেকে গাছ হয়! এমনি এক আশ্চর্য গাছের নাম পাথরকুচি। এই আশ্চর্য গাছের গুণাবলী শুনলে আপনিও আশ্চর্য হয়ে যাবেন। পাথরকুচি পাতা যে কতভাবে আমাদের শরীরের উপকার করে থাকে তার ইয়ত্তা নেই।
কিডনির পাথর অপসারণে পাথরকুচি পাতা

জন্ডিস নিরাময়ে
পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলব্লাডারের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুই বার ২ থেকে ৩ টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান।
লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।
সর্দি সারাতে
অনেক দিন ধরে যারা সর্দির সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য পাথরকুচি পাতা অমৃতস্বরূপ। পাথরকুচি পাতার রস একটু গরম করে খেলে সর্দির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ক্ষত স্থান সারাতে
পাথরকুচি পাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করলে ক্ষত তাড়াতাড়ি সেরে যায়। পাথরকুচি পাতা বেটেও কাটাস্থানে লাগাতে পারেন।
এছাড়াও-
    ১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়।
    ২. শরীরের জ্বালা-পোড়া বা আর্থ্রাইটিস থেকে রক্ষা করে।
    ৩. পাথরকুচি পাতা বেটে কয়েক ফোঁটা রস কানের ভেতর দিলে কানের যন্ত্রণা কমে যায়।
    ৪. কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয় রোগ সারাতে পাথরকুচি পাতার জুড়ি নেই। ৩ মি.লি. পাথরকুচি পাতার জুসের সঙ্গে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন পর্যন্ত খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।
    ৫. পাথরকুচি পাতার রসের সঙ্গে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্‌ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ত্বকের যত্নে
পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সঙ্গে সঙ্গেই এর মধ্যে জ্বালা-পোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে অনেক সচেতন তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

কাঁচা মরিচের রয়েছে বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা

তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে কাঁচা মরিচের জুড়ি নেই। কেউ কেউ আবার খাবারের সময় অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ নিয়ে রুচিসহকারে খেতে থাকেন। তাঁদের জন্য আরও সুখ...