তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে কাঁচা মরিচের জুড়ি নেই। কেউ কেউ আবার খাবারের সময় অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ নিয়ে রুচিসহকারে খেতে থাকেন। তাঁদের জন্য আরও সুখবর হল এই কাঁচা মরিচের রয়েছে বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা। ৩৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁচা মরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুন। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এরছাড়াও কাঁচা মরিচের যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে সেগুলো হল- ল্ফ নিয়মত কাঁচা মরিচ খেলে হৃৎপিন্ডর বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।
কাঁচা মরিচ মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমকে কর্মক্ষম রাখে।
গরমকালে খেলে ঘামের সাথে বেরিয়ে যায়, ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে। কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।
কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।
নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।
প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বুিলরেখা পড়ে না।
কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে-কোনো ধরনের কাটা কিংবা বা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী। ল্ফকাঁচা মরিচের
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।
No comments:
Post a Comment