The quality of hibiscus flowers
কিছু ফুল আছে যেগুলোর দিকে তাকালেই মন ভালো হয়ে যায় এবং সুখ অনুভব হয়। সেই ফুলগুলো ভক্ষণযোগ্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীও। এমনই একটি ফুল হচ্ছে হিবিসকাস বা জবা ফুল। গবেষকরা বলছেন, ভেষজ হিসেবে জবা ফুল সবদিক থেকে নিরাপদ। যে কোনো ব্লাড গ্রুপের যে কেউ-ই খেতে পারেন। সব থেকে বড় কথা শরীরে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
চীনারা তো আছেনই, তাদের টেক্কা দিয়েছে নাইজেরীয়রাও। শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে এক-একজন দিনে ২৫ কাপ করে শুধু জবার পানিতে চুমুক দেন! নীচে জবার ৫টি গুণ উল্লেখ করা হল
১. ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুল কুল : ভারতে জবা ফুল খাওয়ার রেওয়াজ নতুন নয়। শুধু ভারত কেন মিশর থেকে ইরান, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আমেরিকা অনেক দেশেই ভেষজ ওষুধ হিসেবে জবাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গ্রীষ্মে নিজেকে শীতল রাখতে দিনে কয়েক কাপ জবার পানি যথেষ্ট। কারণ, জবার মধ্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে।
২. ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টেরল কমাতে : উচ্চ রক্তচাপের কারণে যাদের ওষুধ খেতে হয়, নিয়মিত তারা কয়েক কাপ করে জবা ফুলের পানি খান। প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসবে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফল পেতে দিনে তিন কাপ করে জবা ফুলের পানি অন্তত ছ-সপ্তাহ খেয়ে যেতে হবে। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতেও জবার জুড়ি নেই। কার্ডিওভাসকুলার এবং সংবহনতন্ত্রের সমস্যাতেও উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্যে যারা ভুগছেন, তাদের জন্যও এটা মহাষৌধ।
গলা ধরলেও খেতে পারেন, কাজ দেবে।
৩. ব্লাড ক্যানসার দূরে রাখে : হিবিসকাস বা জবা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এই ফুলের নির্যাসে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন লিউকেমিয়া আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলে।
৪. ফ্লু তাড়ায় : ২০১৬-র জুনে প্রকাশিত এক গবেষণায় জবা ফুলের মধ্যে থাকা খুব শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাল এফেক্টের উল্লেখ করা হয়েছে। অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে জবা ফুলের নির্যাস কার্যকরী ওষুধ।
৫. বিপাকক্রিয়ার হার বাড়ায় : উদর স্ফীত হতে থাকলে বা শরীরে মেদ জমলে জবাফুলের পানি নিয়মিত খেতে পারেন। কারণ, জবা বিপাকের গতি বাড়িয়ে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট নষ্ট করে। যাদের ফ্যাটি লিভার, নিশ্চিন্তে জবার পানি পান করুন। উপকৃত হবেন। বিপাকীয় সিনড্রোমেও ভালো দাওয়াই।
প্রস্তুতি : দুইভাবে এই ইনফ্যুশন বানানো যায়। কয়েক'টা জবা ফুল ভালো করে ধুয়ে, সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সেই পানিটা খেতে পারেন। অথবা সকালে গরম পানিতে পনেরো মিনিট জবা ফুল ভিজিয়ে রেখে সেই পানিটি খেয়ে নিতে পারেন। জবার গুণ কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
যাদের যৌনশক্তি কমে এসেছে, যাদের মাথা থেকে থেকে চক্কর মারে, চলতে ফিরতে পায়ের পেশিতে টান ধরে, জবার পানি দিনে কয়েক বার করে খেলে প্রচুর উপকার হবে।
" সাঁতার" শরীর সতেজ রাখতে
প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ব্যায়ামের মধ্যে হাঁটা, জগিং করা, ট্রেডমিল, দৌড়ানো, সাইক্লিং, সুইমিং ইত্যাদি রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা এক গবেষণায় দেখেছেন যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন তাদের হার্ট বিট ভালো থাকে, মাংসপেশীর সংকোচন প্রসারণ স্বাভাবিক থাকে এবং শরীরে রক্ত চলাচল অন্যান্য ব্যায়ামের তুলনায় দ্রুততর হয় এবং রক্ত সঞ্চালন সুষমভাবে বিস্তৃত হয়।
এ ছাড়া সাঁতার কাটলে শরীর থেকে পানি বের হয় না। ফলে খনিজ লবণের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। সুইডিস বিজ্ঞানীরা জগিং, ট্রেডমিল এবং সুইমিং তিন ধরনের ব্যায়ামের তুলনামূলক জরিপ করে দেখেছেন যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন তারা অন্যদের থেকে শারীরিকভাবে অধিক সামর্থ্যবান থাকেন এবং মানসিক চাপ তাদের অনেক কম থাকে। এ ছাড়া সুইমিং পেরিফেরাল ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়।
ফলে সুইমিং করার পর শারীরিক যোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার কথা বলা হলেও প্রতিদিন কমপক্ষে কত মিনিট সুইমিং করতে হবে তা সুনির্দিষ্ট ভাবে বলা হয়নি। তবে সুইমিং এর ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অথবা সন্ধ্যায় অন্তত ২০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত সুইমিং করতে পারেন।
লেখক: চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
কিশমিশের উপকারিতা !
১। দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
২। এর অলিনলিক এসিড যা মুখের দুর্গন্ধ দূর
করে।
৩। মুখের ব্যাকটেরিয়া কমাতে সহায়তা করে।
৪। নিয়মিত কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
৫। শরীরের রক্ত বৃদ্ধি করে।
৬। এর পলিফেনোলিক অ্যান্টিঅক্সিডে ন্ট শরীরে
টিউমার কোষ গঠন রোধ করে।
৭। এর ফিটোনারিয়েন্টেএবং অ্যান্টিঅক্সিডে
ন্ট
চোখের জন্য খুবই উপকারী।
৮। আয়রন এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় হাড়
মজবুত করে।
৯। হজম শক্তিবৃদ্ধি করে।
১০। অনিদ্রা ও মাথাব্যথা দূর করতে সহায়তা
করে।
১১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে....
Although symptoms associated with Zika virus are generally mild, a possible association has been observed between the unusual rise of Zika cases and microcephaly cases in Brazil since 2015.
What is microcephaly?
Microcephaly is a condition where a baby is born with a small head or the head stops growing after birth. Microcephaly is usually a rare condition, with one baby in several thousand being born with the birth defect. If this combines with poor brain growth, babies with microcephaly can have developmental disabilities.
The most reliable way to assess whether a baby has microcephaly is to measure head circumference 24 hours after birth, compare this with the World Health Organisation (WHO) growth standards, and continue to measure the rate of head growth in early infancy.
Brazil has reported an unusual, sudden increase in babies born with microcephaly since May 2015.
Prevention
Mosquitoes and their breeding sites pose a significant risk factor for Zika virus infection. Prevention and control relies on reducing mosquitoes through source reduction (removal and modification of breeding sites) and reducing contact between mosquitoes and people.
This can be done by using insect repellent; wearing clothes (preferably light-coloured) that cover as much of the body as possible; using physical barriers such as screens, closed doors and windows; and sleeping under mosquito nets.
It is also important to empty, clean or cover containers that can hold water such as buckets, flower pots or tyres, so that places where mosquitoes can breed are removed.
Special attention and help should be given to those who may not be able to protect themselves adequately, such as young children, the sick or elderly.
During outbreaks, health authorities may advise that spraying of insecticides be carried out. Insecticides recommended by the WHO Pesticide Evaluation Scheme may also be used as larvicides to treat relatively large water containers.
Travellers should take the basic precautions described above to protect themselves from mosquito bites.
Women who are pregnant or planning to become pregnant should take extra care to protect themselves from the bites of the mosquito that transmits Zika.
Many nutrition tomatoes
টমেটো একটি মূলত শীতকালীন সবজি। বছরের অন্যান্য সময় পাওয়া গেলেও এটি মূলত শীতমৌসুমেই পাওয়া যায়। কাঁচা টমেটোর পাশাপাশি পাকা টমেটোরও রয়েছে বহুমাত্রিক খাদ্য গুণ। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক এসিড, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা নানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিচে টমেটোর এই বহুমাত্রিক গুণাবলী নিয়েই আজ আলোচনা করা হলো :
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে: টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন ও ভিটামিন এ; যা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত।
হাড়ের জন্য উপকারী: টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম; যা হাড়ের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। হাড় দুর্বল হলে অবশ্যই টমেটো খেতে হবে। এতে আরও রয়েছে লাইকোপিন নামক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়।
ক্যান্সার প্রতিরোধক: টমেটোতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি দেহের ফ্রি রেডিকেলস দূর করে এবং ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমায়। ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। টমেটো খেলে ডিএনএ সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না।
জ্বালাপোড়া দূরীকরণে : জ্বালাপোড়ার অন্যতম কারণ টিএনএফ-আলফা। টমেটো খেলে শরীরে টিএনএফ-আলফার মাত্রা কমে যায়। এতে শরীরে জ্বালাপোড়া কমে। টমেটোর জুস পান করেও শরীরের জ্বালাপোড়া দূর করা যায়।
চোখ ও ত্বকের সুস্থতায় : ত্বক ও চোখের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ; যা চোখ ও ত্বক সুস্থ রাখে। কুচি করে কাটা এক কাপ কাঁচা টমেটো প্রতিদিন খেলে দেহে ভিটামিন এ-র অর্ধেক চাহিদা পূরণ হয়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে : টমেটো ডায়াবেটিস রোগীদের দেহের শর্করার মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা বৃদ্ধিতে : টমেটোতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি; যা শরীরের রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়ায়। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের সুস্থতায় : ভিটামিন সি ত্বকে কলাজেন তৈরিতে কাজ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক রক্ষায় সাহায্য করে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকে টমেটো ব্যবহার করা যেতে পারে।
রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে: মৃত্যুঝুঁকির অন্যতম কারণ হতে পারে ব্লাড ক্লোট বা রক্ত জমাট বাঁধা। রক্ত জমাট বাঁধলে শরীরে রক্তের সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়; যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। টমেটো এই ক্লোট প্রতিরোধে সাহায্য করে। স্ট্রোক
প্রতিরোধক : টমেটো মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায়; যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হলে স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। যদি বংশে এই ধরনের রোগের প্রবণতা থাকে, তবে টমেটো খাওয়া যেতে পারে। চলছে শীতের মৌসুম। তাই নিশ্চয় আশেপাশে টমেটোর ঘাটতি নেই। তাই টমেটোর স্বাদ নিতে চাইলে ও এর গুণের সরাসরি উপকার পেতে চাইলে তা সংগ্রহ করে নিন।
Weight control of the pumpkin
মিষ্টি কুমড়া অনেকেরই খুব প্রিয় সবজি। ভিটামিন-এ তে ভরপুর এই ধরণের কুমড়া মানবদেহের জন্যও উপকারী। মিষ্টি কুমড়া দিয়ে ভাজি থেকে শুরু করে আচার, নিরামিষ, মাংস রান্না সব কিছুই করা হয়ে থাকে। কুমড়োতে ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান সমূহ যেমন লিউটিন, জ্যানথিন এবং আরও অনেক উপাদান আছে। কুমড়াতে ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। কিন্তু অনেকের জানা নেই, এসব ছাড়াও কুমড়ার এমন কিছু গুণাগুণ আছে যা অবাক করার মতো। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক এর পুষ্টিগুণ।
১. মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন-এ উপাদান চোখের জন্য উপকারী। বিশেষ করে যারা কম বা অস্পষ্ট আলোর মধ্যে থাকে, তাদের চোখকে কর্ণিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে।
২. কুমড়ার বিশেষ উপাদান বিটা-ক্যারোটিন মানবদেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. মিষ্টি কুমড়ায় ফাইবার ও পটাশিয়াম আছে প্রচুর পরিমানে। ফাইবার উপাদান দেহের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আর পটাশিয়াম দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় জল ও লবণ বের করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৪. পুষ্টি ও ফাইবারে ভরপুর কুমড়া খেলে দেহের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৫. কুমড়ার আসল উপাদান ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন মানবদেহের ত্বক খুব ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং দেখতে কম বয়স্ক লাগে।
৬. কুমড়ার এর বীজে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। যা মানবদেহের উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
৭. মিষ্টি কুমড়াতে আছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম উপাদান। যা মানবশরীরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
Quality of kalamisaka
অর্ধ জলজ লতা কলমি শাকের বৈজ্ঞানিক নাম ‘আইপোসিয়া অ্যাকোয়াটিক’। পূর্ব, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কলমির ব্যাপক চাষ হয়ে থাকে। পানি বা স্যাঁতসেঁতে ভূমিতে সামান্য যত্নেই এই শাক ভালো জম্মে। পুষ্টিগুণে কলমি শাক অতুলনীয়। প্রতি ১০০ গ্রাম কলমি শাকে পাওয়া যায় ২৯ কিলোক্যালোরি, সোডিয়াম ১১৩ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৩১২ মিলিগ্রাম, খাদ্যআঁশ ২.১ গ্রাম, প্রোটিন ৩ গ্রাম, কর্বোহাইড্রেটস ৫.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ ২.৫ মিলিগ্রাম, জলীয় অংশ ৮৯.৭ গ্রাম। কলমি শাকে থাকা এসব উপাদান আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
এবার কলমি শাকের কিছু উপকারিতার কথা জেনে নেওয়া যাক-
* কলমি শাকে ক্যালসিয়াম থাকে বলে এই শাক হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কলমি শাক খাওয়ানো উচিত।
* কলমি শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে।
* এই শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশক্তি থাকায় মানবদেহের দুর্বলতা খুব দ্রুত সরিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
* কলমি শাক বসন্ত রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
* কলমি শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ থাকায় এই শাক রক্তশূন্যতার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী। সারা দেহে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহ ঠিক রাখতেও এই শাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
* ঋতুস্রাবের সমস্যা দূরীকরণে কলমি শাক উপকারী ভূমিকা পালন করে।
Many kyalasiyame cauliflower
শীতের সবজি এখন বাজারে। আর এরমধ্যে ফুলকপি অন্যতম। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’।
প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। আরও থাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন।
ফুলকপিতে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে তা কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ২৫ গুণ ও গরুর দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। ফুলকপির কচি পাতাও পুষ্টিতে ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। এছাড়া ফুলকপির ডাঁটায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।
ফুলকপির গুণাগুণ: - ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড। নিয়মিত ফুলকপি খেলে অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- ফুলকপি খেলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ে। বাড়ন্ত শিশুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফুলকপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ফুলকপি খাওয়া ভালো। এতে সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়।
- ফুলকপিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রাসম্পন্ন আয়রন রক্ত তৈরি, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শিশু ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অত্যান্ত জরুরি।
- ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
- ফুলকপিতে রয়েছে দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আমিষ।
- ফুলকপি স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফুলকপির যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
সতর্কতা: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ফুলকপি খাবেন।
প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। আরও থাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন।
ফুলকপিতে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে তা কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ২৫ গুণ ও গরুর দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। ফুলকপির কচি পাতাও পুষ্টিতে ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। এছাড়া ফুলকপির ডাঁটায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।
ফুলকপির গুণাগুণ: - ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড। নিয়মিত ফুলকপি খেলে অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- ফুলকপি খেলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ে। বাড়ন্ত শিশুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফুলকপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ফুলকপি খাওয়া ভালো। এতে সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়।
- ফুলকপিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রাসম্পন্ন আয়রন রক্ত তৈরি, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শিশু ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অত্যান্ত জরুরি।
- ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
- ফুলকপিতে রয়েছে দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আমিষ।
- ফুলকপি স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফুলকপির যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
সতর্কতা: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ফুলকপি খাবেন।
Top 10 Benefits of ghee
There is no alternative to oil to cook food. However, certain foods such as
Kachhi biriyanisaha Other foods that are needed to create more ghee.
তবে ঘিয়ের বহু উপকারিতা রয়েছে
যেমন:
১. স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়।
অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।
২. নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
৩. স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো
ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৪. ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
৫. কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে।
যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।
৬. ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়।
অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।
৭. হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।
৮. রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৯. খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।
১০. পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত।
আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়
তবে ঘিয়ের বহু উপকারিতা রয়েছে
যেমন:
আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়
পেঁয়াজের ব্যবহারে উপকারীতা
প্রতিদিনের রান্নায় যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পেঁয়াজ। রান্নার কাজ ছাড়াও এই পেঁয়াজের আছে কিছু উপকারী ব্যবহার। যা আমাদের দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে দেয়। জেনে নিন পেঁয়াজের কিছু অবাক করা গুণের কথা।
- গাছকে পোকা থেকে রক্ষা করা
- কানের ব্যথা কমাতে
- মৌমাছির কামড় ভালো করতে
- রংয়ের গন্ধ দূর
- ঠাণ্ডা দূর করতে
- মরিচা দূর করতে
- ইনসুলিন বৃদ্ধিত
- রক্ত বন্ধ করতে
- হাঁড়ি-পাতিলের পোড়া দাগ দূর করতে
অনেক সময় তরকারি পুড়ে হাঁড়ি সহ নানা পাত্রে দাগ লেগে যায়। এই দাগ দূর করতে পেঁয়াজ অনেক কার্যকরী। পেঁয়াজের রস দিয়ে পোড়া হাঁড়ি পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ একদম দূর হয়ে গিয়েছে।
তেল, চর্বিতে ওভেন তেল চিটচিটে হয়ে যায়। এই তেল চিটচিটে ভাব দূর করে ওভেন পরিষ্কার করতে পেঁয়াজের জুড়ি নেই। পেঁয়াজের রস এবং সমপরিমাণে লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে ওভেনের দাগের ওপর ঘসে দিন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন সব দাগ দূর হয়ে গিয়েছে।
- উনুন পরিষ্কার করতে
Some simple tips to stay healthy in winter
সব বয়সের মানুষের কাছে এই কালটি খুবই আরামদায়ক। শরীর খারাপ হওয়ার ভয়ই থাকে না এই কালে। ঘুরতে যাওয়া, পিকনক করা, জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা, আড্ডা মারা এই সব কিছু তো আছেই। শুধু গায়ে একটা গরম জামা চাপিয়ে নিলেই হল।
কিন্তু শীতকালে বড়দের সঙ্গে শিশুদেরও শরীরের যত্ন নেওয়া খুবই দরকার। শুধু ছোট কয়েকটা টিপস মেনে চললেই আনন্দে কাটাতে পারবেন শীতকাল।
১. বাইরে বেরুলে অবশ্যই গরম জামা পড়ুন। দেখবেন যেই গরম জামা যাতে খুব বেশি গরম বা খুব বেশি পাতলা না হয়।
২. শীতকালে শিশুদের খেলাধুলা বেড়ে যায়। কিন্তু বাইরে খেলার ফলে তাদেরকে বিভিন্ন রকরমের পোকা কামড়ায়। তাদের যাতে পোকামাকড় কামড়াতে না পাড়ে তার দিকে নজর দেবেন।
৩. বাইরে বেরুলেই সান্সক্রিম মাখবেন। দেখে নেবেন সান্সক্রিমে এসপিএফের পরিমাণ যেন ভালো থাকে।
৪. শীতকালে বেশি করে পানি খান। কারণ শীতকালে শরীরের ভেতর অনেক গরম হয়ে যায়। এছাড়া আমাদের খুব একটা পানি তেষ্টা পায় না। যার জন্য আমাদের ডিহাইড্রেশন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে আর এই সমস্যা দেখা দেবে না।
৫. খাবার খাওয়ার সময় যাতে বাচ্চারা হাত ধোয় তার দিকে অবশ্যই নজর রাখবেন।
Black tea to drink winter
শীতকালে শুরু হয়ে যায় প্রচুর চা-কফি খাওয়া। যদি বলা হয়, দুধ চা ও কফি থেকে ব্ল্যাক টি অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত তাহলে কী অবাক হবেন? যারা ইতোমধ্যে প্রতিদিন অন্তত এক কাপ ব্ল্যাক টি পান করে, বলা যায় তারা অন্যদের তুলনায় একটু বেশি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী।
ব্ল্যাক টি, এর অজানা উপকারিতা-
হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ
নিয়মিত ব্ল্যাক টি পান করলে হৃদরোগ জনিত বিভিন্ন অসুখ হতে রক্ষা পাওয়া যায়। হৃদপিন্ডে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে।
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ
হাঁপানি রোগ বেড়ে গেলে গরম পানি, চা-কফি খাওয়ানো হয়। সেক্ষেত্রে ব্ল্যাক টি’র কোনো বিকল্প নেই। ব্ল্যাকটি হাঁপানি রোগীদের নিঃশ্বাস নিতে সাহায্য করে।
ক্যান্সার
ব্ল্যাক টি’তে থাকা শক্তিশালী উপাদানগুলো বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- পাকস্থলি ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ওভারি ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ব্ল্যাক টি খেলে হার্টে কোলোস্ট্রলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন
ব্ল্যাক টি’তে ক্যাফিনের পরিমাণ অনেক কম। তাই কোনো রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই মস্তিষ্কে ভালোভাবে রক্ত প্রবাহিত হয়।
অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির ১১টি সহজ উপায়
অ্যাসিডিটির সমস্যায় কম বেশি আমাদের সবাইকেই ভুগতে হয়। আমাদের পাকস্থলিতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ার ফলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বমিবমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ বা অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বেশি ঝাল খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুঃচিন্তা, ব্যায়াম না করা বা অতিরিক্ত মদ্য পানের ফলে অ্যাসিডিটি হতে পারে।
এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ খান। কিন্তু ওষুধ ছাড়াও ঘরোয়া পদ্ধটিতেও এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই অ্যাসিডিটি নিরাময়ের ১১টি অসাধারণ কৌশল।
১. গরম পানি :
সাধারণত কুসুম গরম পানি রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২. ঠান্ডা দুধ:
পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় দুধ। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরিতে বাধা দেয়। শুধুমাত্র এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করেই অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধ বা উপশম করা সম্ভব।
৩.জিরে:
এটি হজমক্রিয়ায় চমৎকার কাজ করে। দেড়কাপ পানিতে এক চা চামচ করে জিরে, ধনে ও মৌরী গুঁড়া এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে খালি পেটে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস জলে সামান্য জিরার গুঁড়া মিশিয়ে বা ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে প্রতিবেলা খাবার পর খেতে পারেন।
৪. আদা
আদার রস পাকস্থলীর অ্যাসিডিটির প্রশমিত করতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির সময় এক টুকরো আদা মুখে নিয়ে চুষলে বা এক কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে কিছুক্ষন ফুটিয়ে রেখে খেতে পারেন কিংবা শুধু এক চা চামচ করে আদার রস দিনে ২/৩ বার খেলে অ্যাসিডিটির থেকে মুক্তি পেটে পারেন।
৫. তালের গুড়
তালের গুড় খাবারকে হজমে সাহায্য করে এবং হজমক্রিয়াকে ক্ষারধর্মী করে অ্যাসিডিটি কমায়। প্রতিবেলা খাবার পর ছোট এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে চুষতে থাকবেন যতক্ষন না অ্যাসিডিটির জ্বালা কমে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য নয়।
৬. মৌরী
পুদিনা পাতার মতো মৌরীরও রয়েছে বায়ু নিরোধক ক্ষমতা যার ফলে খাবার হজম করতে এবং পেটের গ্যাস দূর করতে এটা বেশ কার্যকরী। ভারী ও ঝাল খাবারের পর কিছু মৌরী মুখে দিয়ে চুষতে পারেন। আবার এক বা দুই চা চামচ মৌরী এক কাপ গরম পানিতে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ছেঁকে নিয়ে দিনে কয়েকবার খেতে পারেন।
৭.লবঙ্গ
৮.আপেল সাইডার ভিনেগার
এর ক্ষারধর্মী প্রভাব পাকস্থলীর অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ১-২ চা চামচ অশোধিত ভিনেগার এক কাপ পানিতে মিশিয়ে খাবার আগে বা দিনে এক বা দুবার খেতে পারেন।
৯.মাঠা
সারাদিনে কয়েকবার শুধু মাঠা খেলে বা সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো অথবা এক চা চামচ ধনেপাতার রস মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায় অথবা আধা থেকে এক চা চামচ মেথি সামান্য পানিতে পেস্ট করে এক গ্লাস মাঠার সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটির পেট ব্যথা দূর হয়।
১০.পুদিনা পাতা
এর বায়ুনিরোধক ও প্রশান্তিদায়ক গুণ নিমিষেই বুক ও পেট জ্বালাপোড়া করা, পেট ফাঁপা ও বমি ভাব উপশম করে। তাই অ্যাসিডিটির লক্ষণ দেখা দিলেই কয়েকটি পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে বা খেতে পারেন চা বানিয়ে। এক কাপ জলে ৪/৫ টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন বা চাইলে তাতে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।
১১.দারুচিনি
হজমের জন্য খুবই ভাল, এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা পেটের গ্যাস দূর করে। এক কাপ পানিতে আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে দিনে ২/৩ বার এটা খেতে পারেন। এছাড়া চাইলে সুপ/সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।
হজমের জন্য খুবই ভাল, এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা পেটের গ্যাস দূর করে। এক কাপ পানিতে আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে দিনে ২/৩ বার এটা খেতে পারেন। এছাড়া চাইলে সুপ/সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।
সাবধানতা “অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির ১১টি সহজ উপায়”
যখনই আপনি অ্যাসিডিটির সমস্যায় পরবেন তখন এই পদ্ধতিগুলোর সাহায্য নিয়ে দেখতে পারেন কিন্তু যদি দেখেন ২/৩ দিন পরও আপনার সমস্যা থেকেই যাচ্ছে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।














No comments:
Post a Comment