Saturday, May 21, 2016

স্মার্টফোনের-জন্য-এবার-গুগলের-'জি-বোর্ড'


অনলাইন ডেস্ক॥ এবার আপনার স্মার্টফোনকে আরও একটু স্মার্ট করে তুলবে গুগল। স্মার্টফোন থেকে চ্যাটিংয়ের সময় কিছু সমস্যাকে মাথায় রেখে নতুন অ্যাপ নিয়ে এলো বিশ্বের বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন গুগল। এই নতুন মুশকিল আসানের নাম ... বিস্তারিত

Friday, May 13, 2016

ধারণার চেয়ে বেশি বিপদজনক জিকা ভাইরাস

Health care smartsector
ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগে যতটা ধারণা করা হয়েছিল মশাবাহিত জিকা ভাইরাস তার চেয়েও বেশি বিপদজনক।

শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা বলেছেন, জিকা স্নায়ুতন্ত্রের অনেক বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে এবং আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের প্রতি পাঁচজনের একজন এই ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জিকা প্রতিকারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে ব্রাজিলের কিছু এলাকায় জিকা ভাইরাস সংক্রমণের গতি কমেছে।

তবে জিকার টিকা তৈরির প্রক্রিয়া এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং জিকা এখনো পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

অধিকাংশ চিকিৎসক এবং গবেষকরাই একমত যে জিকা ভাইরাসের সাথে শিশুদের অস্বাভাবিক ছোট মাথা নিয়ে জন্ম নেয়া বা মাইক্রোসেফালির যোগসূত্র রয়েছে।

আগে ধারণা করা হতো জিকা আক্রান্ত গর্ভবতী নারীদের এক শতাংশের সন্তান মাইক্রোসেফালিতে আক্রান্ত হয়। তবে ব্রাজিলের চিকিৎসকরা বলছেন, গর্ভবতী নারীদের ২০ শতাংশ পর্যন্ত পর্যন্ত মাইক্রোসেফালি আক্রান্ত শিশুর জন্ম দিতে পারে।
জিকা: লক্ষণগুলো কি?

জিকা আক্রান্ত হবার ফলে মৃত্যুর ঘটনা খুব বিরল এবং আক্রান্ত প্রতি পাঁচজনের একজনের মধ্যে লক্ষণগুলো দেখা যায়।

লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    হালকা জ্বর
    কনজাঙ্কটিভাইটিস (লাল চোখ)
    মাথাব্যাথা
    হাড়ের সংযোগে ব্যাথা
    চামড়ায় লাল ফুসকুড়ি

গুলান-বার সিন্ড্রম নামে স্নায়ুতন্ত্রের একটি বিরল রোগের সাথেও জিকা ভাইরাসের সম্পর্ক পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গুলান-বার সিন্ড্রমের ফলে মানুষ সাময়িকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে।

জিকা ভাইরাসের কোন টিকা কিংবা ওষুধ নেই, রোগীদের প্রচুর পরিমাণে তরল পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

গর্ভে বেড়ে ওঠা শিশুদের ওপর জিকা ভাইরাসের প্রভাবই এখনো পর্যন্ত জিকা ভাইরাস নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের কারণ।

Brain cancer from mobile phone? Rumor is not true? Research is the key!

Health care smartsector



mobile ফোনে কথা বললেই মাথায় Cancer, tumors হয়। এমনটাই এতদিন ধারণা ছিল আমাদের। বৈজ্ঞানিকদের একাংশও বলে এসেছেন এমন কথা। কিন্তু এবার সমীক্ষায় নয়া তথ্য সামনে উঠে এল। জানা গেল, মাথায় ক্যানসার কিংবা টিউমারের জন্য কোনওভাবেই মোবাইল ফোন দায়ী নয়।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, ৩০ বছর বয়সের ওপরে অনেকেই ব্রেন টিউমার বা ব্রেন ক্যানাসরের মতো রোগে আক্রান্ত হন। কিন্তু এর জন্য মোবাইল ফোন দায়ী নয়। এটা সম্পূ্র্ণ ভুল ধারণা। মোবাইল ফোন আবিষ্কারের আগে থেকেই আমাদের মধ্যে ব্রেন ক্যানসার দেখা দিয়েছিল। এক গবেষক এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘মোবাইল ফোন থেকে এক ধরণের নন-আয়নিসিং রেডিয়েশন বের হয়। এই রেডিয়েশনের এনার্জি খুবই কম। এই রেডিয়েশন কোনওভাবেই আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি করে না।’
 

কাঁচা মরিচের রয়েছে বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা

তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে কাঁচা মরিচের জুড়ি নেই। কেউ কেউ আবার খাবারের সময় অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ নিয়ে রুচিসহকারে খেতে থাকেন। তাঁদের জন্য আরও সুখ...