Tuesday, June 13, 2017

বাচ্চাদের ঘুমে '''স্মৃতিশক্তি'' বাড়ে



বাচ্চাদের নতুন শব্দ মনে রাখার ক্ষেত্রে ভালো ঘুম সবচেয়ে ভালো কাজ করে। ইউকের শেফিল্ড হাল্লাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন।
বাচ্চাদের নতুন শব্দ ব্যাখ্যা করে বললে অনেক সময় মনে রাখে। নতুন শব্দ শেখা ও ভাষা শেখার ক্ষেত্রে তারা বয়স্কদের চেয়ে বেশি তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন হয়। এমন ধারণা প্রচলিত হলেও গবেষকেরা বলছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত থেকে ১২ বছরের শিশুদের মধ্যে মনে রাখার এই বৈশিষ্ট্য অনুপস্থিত।
গবেষকেরা ৫৩ জন বাচ্চাকে ভাষা শেখান। দিনে ৩০ থেকে ৬০ মিনিট শেখানো হয়। এরপর তখনই একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১২ ঘণ্টা পরে আরেকটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়।
যেসব বাচ্চাকে দিনে শেখানো হয়, তারা বিকেলের মূল্যায়ন পরীক্ষায় অনেক কিছু ভুলে যায়। আবার যেসব বাচ্চাকে রাতে শেখানো হয়, তারা সকালে নেওয়া পরীক্ষায় তুলনামূলক ভালো করে। অর্থাৎ রাতের ঘুম তাদের স্মৃতি ভালো রাখে।
গবেষকেরা বলছেন, বাচ্চাদের যদি একটু ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে তারা ভালোভাবে মনে রাখতে পারবে।
বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

Monday, June 12, 2017

"" লেবু"" হজম শক্তি বাড়ায়

Health care smartsector



 প্রতিদিনের ইফতারে লেবুর শরবত থাকাটা মোটেই মন্দ কিছু নয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে পেট পরিষ্কার রাখার মতো নানা উপকার করে লেবু। আগে জেনে নিন লেবুর কিছু উপকারিতা-

* হজম শক্তি বাড়ায়: লেবুর রস শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। বদহজম, বুক জ্বালার
 সমস্যাও সমাধান করে লেবু পানি। লেবুর রস হজমসংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে 
ও কোষ্ঠকাঠিন্যের বিরুদ্ধে লড়তে উপকারী। ইফতারে এক গ্লাস লেবুর শরবত রাখতে
 ভুলবেন না। অন্যান্য খাবারের পাতেও কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে দিন। রোজার দিন 
সাধারণত খাদ্য গ্রহণে সময়ের পরিবর্তন ও পানির অভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা 
দেয়। অন্যান্য পানীয় ও খাবারের সঙ্গে লেবুর রসের ব্যবহার আপনাকে এই অস্বস্তিকর 
অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: লেবুর মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি 

সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করতে অব্যর্থ। স্নায়ু ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়। ফুসফুস 
পরিষ্কার করে হাঁপানি সমস্যার উপশম করে।

* ত্বক দাগ মুক্ত রাখে: লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট 

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ব্যাকটেরিয়া রুখে অ্যাকনে সমস্যার 
সমাধান করে। রক্ত পরিষ্কার রেখে ত্বকের দাগ ছোপ দূরে রাখে। লেবু খেলে শরীরে
 পজিটিভ এনার্জি বাড়ে। উত্কণ্ঠা ও অবসাদ দূরে রেখে মুড ভাল রাখতে সাহায্য করে 
লেবু।

* পিএইচ ব্যালান্স: লেবু শরীরের পিএইচ ব্যালান্স সঠিক রাখতে সাহায্য করে। 

লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড মেটাবলিজমের পর ক্ষার হিসেবে কাজ করে। 
ফলে রক্তের পিএইচ ব্যালান্স বজায় থাকে। লেবু ফুসফুস পরিষ্কার রাখার ফলে 
শ্বাস-প্রশ্বাস তাজা রাখে। খাওয়ার পর লেবু পানি দিয়ে মুখ ধুলে ব্যাকটেরিয়া দূর হয়।
* ওজন কমায়: লেবুতে থাকা পেকটিন ফাইবার খিদে কমাতে সাহায্য করে। সকালে 
উঠে লেবু দিয়ে গরম পানি খান। সারা দিন কোন খাবার খাবেন, কোনটা খাবেন না তা 
বেছে নিতে সাহায্য করে লেবু পানি। বলা হয়, হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে
 খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের বাড়তি মেদ ঝরতে থাকে। বহু পুরনো 
আমল থেকেই ওজন কমাতে লেবুর রস রীতিমতো পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ইফতারে লেবুর শরবত
*প্রথমে ১টিলেবু কেটে নিন।
*পরিমাণ মতো চিনির পানিতে লেবু চিপে দিন।
*ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা পানি নিন।
* ঠান্ডা পানি আর চিনির পানি এক পাত্রে রাখুন।
* গ্লাসে ঢেলে ঠান্ডা লেবুর শরবত পরিবেশন করুন।




Sunday, June 11, 2017

""ছোলার ""পুষ্টি গুণ


 Health care smartsector


কাগজ অনলাইন ডেস্ক: স্বাস্থ্যকর খাবার হিসাবে ছোলা বা বুটের বেশ সুনাম। রোজার ইফতারীতে মুড়ি, পিঁয়াজু আর শশার সাথে ছোলা না হলে চলে না। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রেখে ইফতারীতে তেল-মশলায় ভাজা ছোলা আমাদের সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যের অংশই হয়ে গেছে। ছোলা মুখরোচকও বটে। শক্তি দেয়। পেটেও থাকে বেশিক্ষণ। সাধারণত দুই প্রকারের ছোলা পাওয়া যায়: দেশী ছোলা ও কাবুলী ছোলা। দেশী ছোলা আকারে ছোট, একটু কালচে রংয়ের এবং অপেক্ষাকৃত শক্ত। কাবুলী ছোলা একটু বড় আকারের, উজ্জ্বলতর রং এবং দেশী ছোলার চেয়ে নরম। দেশী ছোলা এই উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
আমাদের ইফতারীর ছোলা মূলত দেশী ছোলা। কাবুলী ছোলা জন্মায় আফগানিস্তান, দক্ষিণ ইউরোপ- এসব স্থানে। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উত্স। ছোলায় আমিষের পরিমাণ মাংস বা মাছের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্য তালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংস আর চাই কী! আমাদের দেশের মত গরীব দেশে ছোলাকে মাছ বা মাংসের বিকল্প হিসাবেও ভাবা যেতে পারে। ছোলার ডাল, তরকারিতে ছোলা, সেদ্ধ ছোলা ভাজি, ছোলার বেসন- নানান উপায়ে ছোলা খাওয়া যায়।
প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। খাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়িই হজম হয়ে গ্লুকোজ হয়ে রক্তে চলে যায় না। বেশ সময় নেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।  প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবন। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এ ছাড়াও আছে ভিটামিন বি­­-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ সবই শরীরের জন্য কাজে লাগে। ­ছোলায় খাদ্য-আঁঁশও আছে বেশ। এ আঁঁশ কোষ্ঠ কাঠিন্যে উপকারী। খাবারের আঁঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে। এতে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়। পায়খানা করা সহজ হয়। নিয়মিত পায়খানা হয়ে যায় বলে ক্ষতিকর জীবাণু খাদ্যনালীতে থাকতে পারে না। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে।
রক্তের চর্বি কমাতেও সহায়ক খাদ্যের আঁঁশ। আরও নানান শারীরিক উপকার আছে খাদ্য-আঁঁশে। দেরীতে হজম হয়, এরূপ একটি খাবার হচ্ছে ছোলা।
শরীরে শক্তির যোগান দিতে থাকে দীর্ঘক্ষণ ধরে। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলা থেকে পাওয়া যায় ৩৬০ ক্যালরিরও অধিক শক্তি।

Thursday, June 8, 2017

""কনুই এবং হাঁটুর"" কালো দাগ দূর করুন সহজ কিছু উপায়ে


 Health care smartsector

কাগজ অনলাইন ডেস্ক: মসৃন কোমল ত্বক সব নারীর কাম্য। হাত-পা সৌন্দর্যের একটি অংশ। হাতের কনুই এবং পায়ের হাঁটুর কালো দাগ ত্বকের অন্যতম একটি সমস্যা। কনুই এবং হাঁটুর ত্বক এমনিতেই মোটা থাকে এবং এই অংশগুলোতে ভাঁজও সৃষ্টি হয় বেশি। ত্বকের এই অংশগুলোতে ঘর্মগ্রন্থি থাকেনা বলে শুষ্ক হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই সঠিকভাবে যদি যত্ন নেয়া না হয় এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয় তাহলে কনুই এবং হাঁটুর ত্বক শরীরের অন্য অংশের চেয়ে বেশি কালো হয়ে যায়। এছাড়া ঘন ঘন ঘষা লাগা, সূর্যতাপ, জেনেটিক কারণ, শুষ্ক ত্বক, হরমোনের অসামঞ্জস্যতা, স্থূলতা, মরা চামড়া জমা এবং মেলানিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি কারণে কনুই এবং হাঁটুর ত্বকে কালো দাগ হতে পারে।
ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই উপায়গুলো।

১। টকদই
এক চা চামচ টকদই এবং সাদা ভিনেগার একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি ত্বকের কালো দাগের স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন । এটি সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহার করুন। এছাড়া দুই টেবিল চামচ বেসন এবং এক টেবিল চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ত্বকের কালো স্থানে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন, এরপর ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুই-তিনবার ব্যবহার করুন।
২। নারিকেল তেল
কনুই ও হাঁটুর কালোদাগ দূর করার ভালো প্রতিকার হচ্ছে নারিকেল তেল। এতে ভিটামিন ই থাকে যা ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করার মাধ্যমে শুষ্কতা প্রতিরোধ করে এবং স্কিন টোন হালকা হতে সাহায্য করে। এটি ক্ষতিগ্রস্থ ও ডার্ক স্কিন মেরামতে সাহায্য করে। প্রতিবার গোসলের পরে কনুই ও হাঁটুতে নারিকেল তেল লাগিয়ে ১/২ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এছাড়াও ১ টেবিলচামচ নারিকেল তেল ও আধা চা চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি আপনার কনুই ও হাঁটুতে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন এবং ১৫-২০ মিনিট রাখুন। তারপর পেপার দিয়ে টাওয়েল মুছে নিন। দিনে একবার এটি করুন।
৩। লেবু
লেবুতে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর রস হাঁটু এবং কনুইয়ের কালো দাগের উপর ম্যাসাজ করুন ২০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। ২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই-এক বার করুন।
৪। বেকিং সোডা
এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং দুধ একসাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চক্রাকারে কালো স্থানে ২ থেকে ৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫। অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নিন। এই জেল কালো দাগের স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার করুন।

Wednesday, June 7, 2017

""মাল্টা"" কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়

Health care smartsector

তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও দিনের দৈর্ঘ্য বাড়ছেই। তাই অনেকক্ষণ সংযমের পর এমন দিনে ইফতারে চাই পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর খাবার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইফতারে ভাজাপোড়া না খাওয়াই ভালো। বরং বুদ্ধিমানের কাজ হবে ফলমূলে মনোযোগী হওয়া। তাই রমজানজুড়ে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হচ্ছে বিভিন্ন ফলের পুষ্টিগুণ। আজ থাকছে পরিচিত ফল মাল্ট
কিডনি
এই ফল কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত খেলে কিডনিও সুস্থ থাকে।
কোলেস্টেরল
এতে আছে হেসপেরিডিন আর পেকটিন। এগুলো দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ
মাল্টায় অতি সামান্য ক্যালোরি থাকে। এ কারণে এই ফল বেশি খেলেও কোনো সমস্যা নেই। খুব কার্যকরভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
আর্থ্রাইটিস
প্রতিদিন এক গ্লাস মাল্টার রস আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে। এতে আছে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।
রক্তচাপ
এর হেসপেরিডিন এবং ম্যাগনেসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ সামলাতে বেশ কার্যকর। এর ভিটামিন ‘সি’ রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বাড়ায়, যা দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করে। ধমনিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বিভিন্ন কারণে। অনেক সময় এর দেয়াল শক্ত হয়ে যায়। তবে তা ঘটতে দেয় না উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘সি’। ধমনির স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে শক্তি জোগায় মাল্টা।
হজম
মাল্টায় আছে উচ্চমানের ফাইবার। এটি হজমে সহায়ক। অন্যান্য খাবারের হজমে সহায়ক উপাদান নিঃসরণেও ভূমিকা রাখে মাল্টা।
ক্যান্সার প্রতিরোধী
মাল্টায় একটি উপাদান মেলে, যার নাম ডি-লিনোনেন। সাধারণ অন্যান্য সিট্রাস ফলে এটি পাওয়া যায়। কোলন ক্যান্সার ছাড়াও ফুসফুস, ত্বক, স্তন ইত্যাদির ক্যান্সার প্রতিরোধে ঢাল হয়ে ওঠে এই উপাদান।
হৃদরোগ
মাল্টার ফাইবার, হেসপিরিডিন আর ফোলেট হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়। প্রতিদিন একটি করে মাল্টা আপনাকে সুস্থ হৃদযন্ত্র দিতে সক্ষম।
দাঁতের যত্ন
মাল্টায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ফলে হাড়ের ও দাঁতের স্বাস্থ্য নিয়ে আর চিন্তা নেই।

Tuesday, June 6, 2017

কাদের ""পেঁপে খাওয়া বারন""

Health care smartsector

পেঁপে শুধু খেতেই মিষ্টি এবং সুস্বাদু নয়, বরং পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে পেপিন নামে এমন এক ধরনের উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, আয়রন, মিনারেল, ফসফরাস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার রয়েছে, যা শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে ভূমিকা রাখে। তবে ওজন কমানো ছাড়াও পেঁপের আরও নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এটি কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের যে কোন সমস্যা, হজম সমস্যাসহ ক্যান্সার প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এত গুণ থাকা সত্ত্বেও পেঁপে যে সবার জন্যই ভালো এমনটি নয়। বরং কোন কোন সময় এটি খাওয়া বেশ ক্ষতিকর। বিশেষ কিছু রোগে পেঁপে খেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই কিছু ক্ষেত্রে পুষ্টিকর এই ফলটি খেতে নিষেধ করেছেন চিকিৎসকরা।
এবার জেনে নিন কাদের পেঁপে খেতে মানা করেছেন চিকিৎসকরা-

গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায় বেশি পরিমাণে পেঁপে খাওয়া এবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, পেঁপেতে এমন কিছু উপাদান বিদ্যমান রয়েছে, যা গর্ভপাতের সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়।  তাই এ সময় পেঁপে না খাওয়াই ভালো।
শ্বাসকষ্ট হয় যাদের
অ্যালার্জির কারণে যাদের প্রায়ই শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে, তাদের ভুলেও পেঁপে খাবেন না। কারণ এতে বিদ্যমান পেপিন নামের উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই শ্বাসকষ্টের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই এটি এড়িয়ে চলাই ভালো। আবার অ্যাজমা কিংবা হাঁপানিতে যারা ভুগছেন, তাদেরও এই ফলটি খাওয়া চলবে না।

কিডনি স্টোনের আশঙ্কা বাড়ায়
যত পুষ্টিকরই হোক না কেন, কোন কিছুই বেশি পরিমাণে খাওয়া ভাল নয়। পেঁপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এই পরিমাণ ভিটামিন যদি প্রায় দিনই শরীরে প্রবেশ করতে শুরু করে, তাহলে দেহে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
শুক্রাণু কমিয়ে দেয়
আপনি কি বাবা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে বেশি মাত্রায় পেঁপে খাওয়া বন্ধ করুন। কেন? আসলে এই ফলটিতে উপস্থিত বেশ কিছু এনজাইম রয়েছে যা শুক্রাণুর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে ফার্টিলিটি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পেটের রোগের জন্য দায়ী
বেশি পরিমাণে পেঁপে খেলে এতে বিদ্যমান পেপিন পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে নানা ধরনের পেটের রোগে হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তবে অল্প পরিমাণে পেঁপেতে কোন সমস্যা হয় না।
ত্বকের সমস্যা বাড়ায়
করোটেনেমিয়া নামক ত্বকের রোগে যারা আক্রান্ত তাদের পেঁপে খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন-এ এই ধরনের স্কিনের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
শকর্রার মাত্রা কমিয়ে দেয়
রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়াটা যেমন ভাল নয়, তেমনি বেশি মাত্রায় কমে যাওয়াটাও ক্ষতিকর। তাই তো মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে পেঁপে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ এই ফলটি শর্করার মাত্রা নিমেষেই কমিয়ে দেয়। ফলে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পরার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই ডট কম।

Sunday, June 4, 2017

সাধারণ "লাউ" এর অসাধারণ কিছু উপকারিতা

 Health care smartsector

কিডনি থেকে লিভার, হার্ট থেকে স্কিন, এসব কিছুর জন্য উপকারে আসতে পারে লাউ। গরমে সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন লাউ। কারণ স্বাস্থ্যের উপকারিতার ক্ষেত্রে কোনও বিকল্প নেই লাউয়ের।
লাউ এর স্বাস্থ্য উপকারিতাকে উপেক্ষা করার কোন উপায় নেই। কারণ লাউ এ প্রচুর পরিমাণে পানি থাকার পাশাপাশি এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান। আজ আমরা জানবো এই সাধারণ লাউ এর অসাধারণ কিছু উপকারিতা সম্পর্কে- 
১। ওজন কমায়।  
২। চুল থাকে ঘন কালো। স্কিন থাকে টানটান।  
৩। ঘুম হয় গভীর।  
৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।  
৫। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে।  
৬। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়।  
৭। হজমে সাহায্য করে লাউ।  
৮। হাড় মজবুত রাখে।  
৯। হার্ট ভাল রাখে।  
১০। এমনকি মানসিক চাপ কমায় এই লাউ।
এছাড়াও লাউয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পানি। ফলে ডায়েরিয়ায় লাউ মহৌষধ। স্কিনের আর্দ্রতা ঠিক থাকে। প্রস্রাবের সংক্রমণের সমস্যা দূর করে লাউ। কিডনির কার্যক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। যাদের ব্লাড প্রেশার বেশি তাদের জন্য লাউ আদর্শ সবজি।  
কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেট ফাঁপা প্রতিরোধ করে লাউ। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া দূর করে। প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের কারণে দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে লাউ। ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লাউ খুব উপকারি। চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পাকা কমায় লাউ।

Saturday, June 3, 2017

পেট থেকে গ্যাস দূর করার সহজ কয়েকটি উপায় জেনে নিন!!!!!

 Health care smartsector

যারা ভোগেন কেবল তারাই বোঝেন এটি কত যন্ত্রণার। একটু ভাজাপোড়া অথবা দাওয়াত, পার্টিতে মসলাযু্ক্ত খাবার খেলে তো শুরু হয়ে যায় অস্বস্তিকর গ্যাসের সমস্যা।ফাস্ট ফুড, ব্যস্ত জীবনযাত্রার যুগে গ্যাস, পেটের অসুখ এখন ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো বাসায় গেলেই গ্যাস্ট্রিকের ১ পাতা ওষুধ অবশ্যই পাওয়া যায়।

তবে কী গাদা গাদা গ্যাসের ওষুধে এ সমস্যা দূর হয়! কিন্তু ঘরোয় কিছু উপায় আছে যেগুলি প্রয়োগ করলে গ্যাস, বুক জ্বালা থেকে সহজেই বাঁচা যায়।
১. শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।
২. দই : দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।
৩. পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।
৪. কলা ও কমলা : কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।
৫. আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।
৬. ঠাণ্ডা দুধ : পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।
৭. দারুচিনি : হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।
৮. জিরা : জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে।
দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।

৯. লবঙ্গ : ২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।
১০. এলাচ : লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে।
১১. পুদিনা পাতার পানি : এক কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

১২. মৌরির পানি : মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।
এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন : সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে।

Thursday, June 1, 2017

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে ইফতারে রাখতে পারের আদা,লেবু


অনলাইন ডেস্ক ॥ গ্রীষ্মের শুরুতেই রোজা পড়ায় এবার রোজার সময়সীমা বেশ দীর্ঘ। তাই অনেকের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ক্লান্তি দূর করতে ইফতারে এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবত না হলেই নয়।
উপকরণ:
১। লেবু ২টি
২। আদার রস ২ টেবিল চামচ
৩। পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
৪। চিনির সিরাপ এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ
৫। বরফ কুচি পরিমাণমতো
প্রস্তুত প্রণালি :
একটি পাত্রে ২ টুকরো লেবু চিপে সিরাপ দিয়ে শরবত তৈরি করে নিন। আদা কিউব করে কেটে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। অথবা বাটোনি দিয়ে থেতলিয়ে নিন। এরপর আদা ছেঁকে পানি আলাদা করে রাখুন। সিরাপ দেওয়া লেবুর পানির সাথে আদার পানি মিশান। সব শেষে বরফ কুচি, পানি, পুদিনা পাতা ও লেবু চারকোনা করে কেটে গ্লাসে দিয়ে আধঘণ্টা রেখে দিন।
শরবতে আদা ও লেবুর গুণ
আদার গুণ : আদা পানি এই রোজায় গ্যাসের সমস্যা দূর করে, দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ফলে হাত পা ব্যাথা হয়, আদার পানি শরীরের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ক্যানসার, বমি বমি ভাব, রক্তচাপ কমাতে আদার পানি সাহায্য করে।
লেবুর গুণ: ইফতারে অতিরিক্ত ভাজা- পোড়া খাবার বেশি খাওয়া হয়। তাই লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চর্বি কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় অতিরিক্ত গরম আর বৃষ্টির জন্য ঠাণ্ডা হতে পারে, তাই এই সময় লেবু–আদা শরবত শরীরকে রাখে ঠাণ্ডা। এছাড়া ব্রণ আর ত্বকের কালচে দাগ কমাতে লেবু আদা শরবত খুব উপকারী।

আসুন "" গরমে সচেতন হই ""

গরমের জন্য মানব জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গাছপালাগুলো সব বিবর্ণরূপ ধারণ করেছে। শহরে যে পশুপাখিগুলো আছে সেগুলোও গরমে কষ্ট পাচ্ছে। এ ছাড়া যারা গাড়িতে যাতায়াত ও বিভিন্ন দালান-কোঠা নির্মাণের জন্য কাজ করছেন তারা অতি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। অত্যধিক গরমের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে দ্বিধা করছেন। তবে ঘরেও শান্তিতে থাকা দায়। কারণ শহরের ঘিঞ্চি এলাকায় এবং লাগোয়া বিল্ডিংগুলোতে ছোট দরজা ও জানালা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বাতাস ঢুকতে পারে না। তাছাড়া চারদিকে বড় বিল্ডিংগুলো বাতাস আটকে দেয়। যারা বস্তিতে টিনের ঘরে বাস করে তাদের ঘরের টিনশেড গরম হয়ে ঘরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে তারা সারাটা দিন বাইরে সময় কাটায়। আসলে জ্যৈষ্ঠ মাসে একটু বেশীই পড়ে। এ সময় অধিক গরমে ফলমূল তাড়াতাড়ি পাকে। ফলে আমরা নানারকম ফলমূল খেতে পারি। কিন্তু এবারের তাপমাত্রা দাবদাহের মতো পোড়াচ্ছে। মানুষ বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা অত্যধিক গরমে হাম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অন্যান্য মানুষ পানির অভাবে পানিবাহিত রোগ-জ্বর, টাইফয়েড এবং জন্ডিসে আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থা মোকাবেলায় সতর্ক হতে হবে। এই গরমে আমাদের শরীর থেকে যে পরিমাণ লবণ পানি ঘামের আকারে ঝরে তার ফলে দেহের শর্করা শক্তি কমে যায়। সেই শর্করা শক্তি পূরণের জন্য বেশি করে পানি পান করা জরুরি। অত্যধিক রোদের তাপে সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি আমাদের দেহের কোষে ঢুকে বিপদে ফেলে দিতে পারে। তাই রোদের মধ্যে অবশ্যই ছাতা নিয়ে ঘুরতে হবে। গরমে ত্বক ও চোখের সুরক্ষার জন্য অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন ক্রিম লাগিয়ে ও চোখে সানগ্লাস পরে ঘুরলে ত্বক ও চোখ সুরক্ষা পাবে। শিশুরা যেন রোদের মধ্যে ঘোরাফেরা না করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। এ গরমে রাস্তাঘাটের ধুলাবালি অল্প বাতাসেই উড়ে বেড়ায়। যা আমাদের দেহের ঘামের সঙ্গে লেগে থাকে এবং কাপড়-চোপড়েও লেগে থাকে। তাই বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর গোসল করার সঙ্গে সঙ্গে কাপড়-চোপড় ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা প্রয়োজন।
এ ছাড়া ও গৃহপালিত পশু-পাখির জন্য খাবার পানির ব্যবস্থা রাখা জরুরী। তাছাড়া এ গরমে রসালো ফলমূল খেতে হবে। যেমন-তরমুজ, আম, জাম, কাঁঠাল এবং লিচু ইত্যাদি। সবুজ শাক-সব্জি ও পানির চাহিদা ও শর্করার চাহিদা পূরণ করে। তাই এগুলো খাওয়া জরুরী। অত্যধিক গরমে ঘরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য ঘরের সামনের পর্দা হাল্কা ভিজিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া যায়। তবে সাবধান বেশি ভিজিয়ে রাখলে ঘরে অসুস্থতা বাড়বে। যাদের ঘর ছাদের গরমে উত্তপ্ত তারা ছাদে পানি ঢেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এ ভাবে গরমে সতর্কতার সঙ্গে গরম নামের ভাইরাসটিকে মোকাবেলা করতে পারি।

কাঁচা মরিচের রয়েছে বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা

তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে কাঁচা মরিচের জুড়ি নেই। কেউ কেউ আবার খাবারের সময় অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ নিয়ে রুচিসহকারে খেতে থাকেন। তাঁদের জন্য আরও সুখ...